কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬ এ ০৩:৫১ PM

তথ্য
কন্টেন্ট টাইপ অফিস
শিরোনাম বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ
বিস্তারিত

বাংলাদেশের স্থল সীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য ৪,২৪৬ কি.মি.। এর মধ্যে ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকার দৈর্ঘ্য ৪,০৫৩ কি.মি এবং মিয়ানমারের সাথে আরও ১৯৩কি.মি (উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন)। বাংলাদেশের এই দীর্ঘ স্থল সীমান্ত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশেষ করে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে অপরিসীম ভূমিকা পালন করে আসছে। শুল্কআইন, ১৯৬৯ এর আওতায় ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ ওয়্যারহাউজিং কর্পোরেশনের অধীনে স্থলবন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তীতে প্রজ্ঞাপন নং-এসআরওনং-৪৯৩/ডি/কাস/৭৯, তারিখ ০৬ জুলাই, ১৯৭৯ এর মাধ্যমে ওয়্যারহাউজিং স্টেশন ঘোষণা করা হয়। ১৯৭৯ সালের অক্টোবরে ওয়্যারহাউজিং কর্পোরেশন বিলুপ্ত হওয়ার পর বেনাপোল শুল্ক স্টেশনের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পাট মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ পাট কর্পোরেশন (বিলুপ্ত সেল) এর উপর ন্যস্ত হয়। ১৯৮৪ সালে বেনাপোল শুল্ক স্টেশনের ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের উপর ন্যস্ত হয়। প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমকে উন্নত ও সহজতর করার লক্ষ্যে অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি ও বন্দর ব্যবস্থাপনার জন্য বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ আইন, ২০০১ (২০০১ সালের ২০ নং আইন) বলে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ২০০২ সালে স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করে। এ কর্তৃপক্ষের অধীনে গুরুত্বপূর্ণ ২৪টি শুল্ক স্টেশনকে সরকার কর্তৃক স্থলবন্দর হিসেবে ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে ০৩টি স্থলবন্দরকে (দৌলতগঞ্জ, তেগামুখ, চিলাহাটি) প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। বর্তমানে স্থলবন্দরের সংখ্যা ২১ টি। ১৭টি স্থলবন্দরে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করে চালু করা হয়েছে। তম্মধ্যে ১২টি স্থলবন্দর যথা- বেনাপোল, বুড়িমারী, আখাউড়া, ভোমরা, নাকুগাঁও, তামাবিল, সোনাহাট, গোবড়াকুড়া কড়ইতলী, বিলোনিয়া, শেওলা, ধানুয়াকামালপুর ও ভোলাগঞ্জ বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে। অপর ০৫টি স্থলবন্দর যথা- বাংলাবান্ধা, সোনামসজিদ, হিলি, টেকনাফ ও বিবিরবাজার স্থলবন্দর বিওটি (বিল্ড, অপারেট, ট্রান্সফার) ভিত্তিতে পোর্ট অপারেটরের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। অবশিষ্ট ০৪ টি স্থলবন্দরের মধ্যে নিজস্ব তত্ত্বাবধানে উন্নয়নের কার্যক্রমাধীন ০১ টি (রামগড়), বিওটি ভিত্তিতে উন্নয়ন কার্যক্রমের অপেক্ষাধীন ১ টি (বিরল), উন্নয়ন কার্যক্রম শুরুর অপেক্ষাধীন ১টি (দর্শনা) এবং অপারেশনাল কার্যক্রম স্থগিত হয়েছে ১টি (বাল্লা)।

স্থলবন্দরসমূহ আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধি ও সরকারি রাজস্ব আদায়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে। একই সাথে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন ও সীমান্ত চোরাচালান হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিতকরণের উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ এর দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

ছবি
ঠিকানা বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষএফ-১৯/এ, শেরেবাংলানগর (জিটিসিএল ভবনের বিপরীতে)আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭ Website: www.blpa.gov.bd
ইমেইল chairman@blpa.gov.bd
ফোন +৮৮-০২-৪১০২৫৩৪৮
গুগল ম্যাপ লিংক

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন